২৯শে জুলাই, ২০১৮। মাসের বাকি
গড়পড়তা বাকি রবিবার গুলোর মতোই আর একটা রবিবার। সকাল থেকে আকাশের দিকে তাকিয়ে
বৃষ্টির পূর্বাভাস করতে করতে বাজার যাওয়া,
তারপর
টুক করে রোদের দেখা পাওয়ার সাথে সাথেই বিগত এক সপ্তাহ ধরে শুকতে চাওয়ার বাসনা নিয়ে
ঝুলতে থাকা জামা কাপড় গুলোকে ছাদে মেলতে যাওয়া। মিনিট কয়েক পরেই আবার সেগুলো তুলতে
যাওয়া; তারপর ভাত মাংস খেয়ে দুপুরের
ঘুম, আর একটু হেলাফেলা করে জমানো
বিকালটুকু খরচা করে পরের দিন সকালে উঠে অফিসের বাস ধরার জন্যে নিজেকে সান্ত্বনা
দিতে দিতেই জাগার কোটা শেষ। হঠাত মনে হতে পারে হঠাত আজকের দিনটাকে নিয়েই পড়েছি কেন; কারন দিনটা ২৯শে জুলাই।
Wednesday, 1 April 2020
গড়িয়াহাট আর ঈশিতা
গড়িয়াহাটের মোড়
মাথাটার এখন খুব শোচনীয় অবস্থা। বাইরের তাপমাত্রা এখন নয় নয় করে ৩০ তো আছেই, তার
সাথে আছে ছিচ কাঁদুনে মার্কা বৃষ্টি। মানে সময় নেই অসময় নেই ঝাঁপি খুলে বসলেই হলো।
বেশিক্ষন না, ওই মিনিট দশেক হুড় হুড় করে বৃষ্টি হবে, গরমটা আরো বাড়িয়ে দেবে আর
সাথে কাদা প্যাচ প্যাচ। মানে এক কথায় প্রকাশ করতে দিলে বিরক্তিকর বললে ফুল
মার্ক্স। একে গরম তার সাথে দুপুরের মধ্যে ওই গড়িয়াহাট মোড়ের মাথায় এসে জুটলে আর
রক্ষে নেই। যদি কোনও কারনে মনে হয় আপনি মধ্যে প্রাচ্যে বেড়াতে এসেছেন তাহলে একদমই
ভুল বলা যাবে না আপনাকে। বাইরের থেকে এই অঞ্চলটা, মানে ওই ধরুন বিজন সেতুর মুখ
থেকে এদিকে বাসন্তি দেবী কলেজ, কি আরো একটু টেনেই দিলাম, ট্রাই-অ্যাঙ্গুলার পার্ক
অবধি তাপমাত্রা বাইরের থেকে অন্ততপক্ষে ৩-৪ ডিগ্রী বেশি। যেমন ভিড় তেমন গরম। মানে বাস থেকে
যদি ট্রাই-অ্যাঙ্গুলার পার্কে নেমে পড়েন তাহলে
বেশি কসরত করতে হবে না। মানুষজন আপনাকে ঠেলে ঠেলেই পৌঁছে দেবে গড়িয়াহাটার মোড়ে। রঙবেরঙের
প্লাস্টিকের আড়ালে রকমারী, মনোহারি জিনিসের পসরা সাজিয়ে নানা সুরে ডাকছে গড়িয়াহাট।
ফুটপাথ থেকে দোকান সবেতেই কেমন যেন অভিনবত্বের ছাপ। দু দন্ড যে একটু উপভোগ করবে লোকজন
তারও উপায় নেই। কনুইয়ের গুঁতোয় তখন আপনি সরে গেছেন পাশের দোকানের কাছে।মানে এক কথায়
যা তা।
Friday, 27 March 2020
কোয়ারেন্টাইন
- কি রে কেমন আছিস? বাইরে টাইরে যাচ্ছিস নাকি?
- বাবাহ, কি ব্যাপার। হঠাৎ আমার খোঁজ!!
- না মানে ওই আর কি। ঘরে বসে...
- তা বলুন কেমন আছেন? বাইরে বেরোচ্ছেন?
- বাইরে! বলিস কি রে? মামা ঘুরছে, হাত গরম করবে বলে রেডি।
- হা হা হা। সে বটে। একদম বাইরে বেরোবেন না।
- হ্যাঁ৷ কিন্তু এভাবে ঘরে থেকে তো হাত পায়ে ড্যাম্প ধরে যাবে!
- যাক, সরষের তেল তো পাওয়া যায়, বাকি বুঝে নেব।
- বুঝে নিবি মানে?
- স্যার, ইউক্লিড বোঝেন, পিথাগোরাস বোঝেন আর এটুকু বোঝেন না!
- এই ওগুলো তো বোঝা যায়, কথার জাল যে বড় জটিল। ইতিহাস সাক্ষী আছে। বল না...
- ঘরে সরষের তেল আছে?
- হ্যাঁ সে তো আছে।
- আসি তাহলে?
- এই না একদম বেরোস না। পুলিশ...
- লম্ব সই, অতিভূজ সই আর এটুকু সইতে পারবো না...
Subscribe to:
Posts (Atom)
শেষের শেষ
আমি হেরে যাই… বারবার হেরে যাই আমার ভালোবাসার মানুষগুলোর কাছে। শীতের শুকনো পাতার মতো ঝরে পড়ে মিশে যাই মাটির সাথে, ভালো লাগে নত হতে ভালোবাসা...