Sunday, 9 December 2018

আদরের আবদার





           বই নিয়ে পড়াটা সেই কোন ছোটবেলার অভ্যাস। একটু সময় যেই পেয়েছি অমনি গল্পের বই খুলে বসে গেছি। আসল সময়ে না পড়ে সেই পুরনো বিজ্ঞান ইতিহাস ভূগোল বই ঘাঁটার ভেতর কেমন একটা আলাদা মজা অনুভব করতাম। তা মগজের একটু পরিনতি আসতে বুঝলাম জীবের ধর্মই সামনে এগোনো, পিছনে তাকানো না। এখন তাই এসব কমিয়ে দিয়েছি। একদমই কিছু করার না থাকলে তখন এসব করি আর কি। তো সেদিন জানলা দিয়ে হাঁ করে বাইরে তাকিয়ে আছি, কি দেখছি সেটাও জানি না; কিন্তু তাকিয়ে আছি। ওদিকে এক বাটি ডাল উনুনে ফুটে ফুটে আধ বাটির নিচে নেমে এসেছে। কিছুক্ষন বাদে হুঁশ আসতে অনুভব করলাম আমি সূর্যগ্রহণ নিয়ে ভাবা শুরু করেছিলাম। ভাবতে ভাবতে কখন যে চিন্তা ভাবনা গুলো সূর্যের তাপে বাষ্প হয়ে গেছে বুঝতেই পারিনি। ডালটা নামিয়ে এসে চেয়ারে বসে ভাবতে শুরু করলাম আসল ভাবনার শুরুটা কোথায় ছিল।

কখনো আসবে বলে

তোমার বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়া হয় না আর
বদলে গেছে পথ, অচেনা সব গলি;
 
কথার পরে কথা গুলো গুলোয় বারংবার;
 
হয়তো অচেনা পথই হারিয়ে দিচ্ছে আবার।

Monday, 22 October 2018

শুভ বিজয়া



প্রায় এক মাস হতে চললো বাড়ি ছাড়া৷ সব ছেড়ে ছুড়ে দিয়ে প্রায় সাড়ে সাত হাজার কিলোমিটার দূরে বসে আছি কোন এক নতুন ভবিষ্যতের কথা ভেবে। এই কদিনে অভ্যাস, স্বভাব, পরিবেশ, মানুষজন বেশ অনেক খানি বদলেছে। তাই পুরনোকে ধরে রেখে নতুনকে বরণ করার একটা নিরন্তর চেষ্টা চলেই যাচ্ছে লোকচোখের আড়ালে। অনেক কিছু মানাতে পারলেও একটা জিনিসকে মানাতে পারিনি, সেটা হলো দুর্গাপুজো।
বছর পঁচিশ বয়সে এসে এই প্রথমবার পুজো হাতছাড়া হওয়ার অনুভূতি প্রকাশের কোন ভাষা হয় না। বাঙালি আবেগপ্রবণ না তেমন, মনের থেকে মাথা দিয়ে চলতেই বেশি পছন্দ করে। কিন্তু পুজো এলেই সব হিসেব কেমন পালটে যায়। তাই প্রথমবার তো; তাই হয়তো ওজনটা একটু বেশিই। যদি প্রশ্ন আসে এরম যে দেশের বাইরে এই প্রথম বার থেকে কি কি মিস করলাম বেশি; তাহলে হয়তো পরের পর বেশ কিছু পয়েন্ট দাঁড় করিয়ে দিতে পারবো। 

শেষের শেষ

আমি হেরে যাই… বারবার হেরে যাই আমার ভালোবাসার মানুষগুলোর কাছে। শীতের শুকনো পাতার মতো ঝরে পড়ে  মিশে যাই মাটির সাথে,  ভালো লাগে নত হতে ভালোবাসা...